তথ্যসূত্র
এই সাইটের কোনো সংখ্যা আমাদের নিজের অনুমান নয়। প্রতিটি সংখ্যা কোথা থেকে আসে, কখন আসে, আর কোথায় আসে না — নিচে সবটা লেখা আছে।
সরকারি তথ্য — স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS)
আক্রান্ত ও মৃত্যুর সব সংখ্যা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টারের দৈনিক ডেঙ্গু ড্যাশবোর্ড থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেওয়া হয়।
- দিনে তিনবার নেওয়া হয় — সকাল ৬টা, দুপুর ২টা আর রাত ৮টা
- প্রতিটি সংখ্যার সঙ্গে রাখা হয়: মূল ঠিকানা, DGHS-এর প্রকাশের তারিখ, আর আমরা কখন এনেছি
- মূল পাতাটির একটি কপিও রাখা হয়, যাতে কোনো ভুল ধরা পড়লে পরে মিলিয়ে দেখা যায়
DGHS যা প্রকাশ করে না
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিভাগ আর ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন পর্যন্ত সংখ্যা দেয়। জেলা বা উপজেলা পর্যায়ের আলাদা সংখ্যা তারা প্রকাশ করে না।
- তাই এই সাইটেও জেলাভিত্তিক সংখ্যা দেখানো হয় না — অনুমান করে বসানো হয় না
- ঢাকা বিভাগের সংখ্যা থেকে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন বাদ দেওয়া থাকে; ওই দুটি আলাদাভাবে দেখানো হয়
সংখ্যা মিলল না হলে কী হয়
DGHS-এর পাতা থেকে আনা সংখ্যা কিছু পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যায় — যেমন মোট সংখ্যা আগের দিনের চেয়ে কমে গেল কিনা, বা কোনো বিভাগ বাদ পড়ল কিনা। পরীক্ষায় না টিকলে নতুন সংখ্যা বসানো হয় না।
- পুরোনো সংখ্যাই থেকে যায়, মুছে বা বদলে যায় না
- তথ্য দুই দিনের বেশি পুরোনো হলে প্রতিটি পাতায় সেটি লিখে দেওয়া হয়
- ভুল সংখ্যা দেখানোর চেয়ে পুরোনো সংখ্যা দেখানো ভালো — যতক্ষণ "কত পুরোনো" স্পষ্ট বলা থাকে
চিকিৎসা-সংক্রান্ত লেখা — বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)
ডেঙ্গুর লক্ষণ, বিপদসংকেত আর করণীয় নিয়ে যা লেখা আছে তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডেঙ্গু ফ্যাক্ট শিট থেকে — আমাদের নিজের লেখা নয়। প্রতিটি গাইড পাতার নিচে সূত্র দেওয়া আছে।
জনগণের রিপোর্ট — সরকারি তথ্য নয়
মানুষ নিজের এলাকার যেসব সম্ভাব্য মশার প্রজননস্থলের খবর পাঠান, সেগুলো আলাদা করে দেখানো হয় এবং সবসময় "যাচাই করা হয়নি" লেখা থাকে।
- এগুলো কখনো সরকারি সংখ্যার সঙ্গে যোগ করা হয় না
- একই পাতায় থাকলেও আলাদা চেহারায় দেখানো হয়, যাতে গুলিয়ে না যায়
এটি কোনো সরকারি ওয়েবসাইট নয়
ডেঙ্গুসেফ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত তথ্য সহজ ভাষায় উপস্থাপন করে। এটি সরকারের কোনো দপ্তর নয়, আর কোনো অভিযোগ কর্তৃপক্ষও নয়।
এই পাতাটি সর্বশেষ হালনাগাদ হয়েছে ২০২৬-১০-০৬